বিট দিয়ে মজাদার জুস তৈরির চারটি উপায় শিখে নিন

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য অনেক কিছুই করি আমরা। তেমন কোনো পরিশ্রম না করেই ওজন কমানোর আকর্ষণটা এড়াতে পারেন না কেউই। কিন্তু হঠাৎ করে ওজন কমানোর ডায়েটগুলো প্রথম কিছুদিন ভালো কাজ করলেও আবার ওজন বাড়িয়ে দেয় এমনকি আমাদের অসুস্থ করেও ফেলে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে চাইলে স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েই আপনাকে ওজন কমাতে হবে। এক্ষেত্রে কার্যকরী একটি খাবার হলো বিটরুট।বিটরুটকে প্রায়ই সুপারফুড বলে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ বিটরুট খুবই পুষ্টিকর খাদ্য। প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলসের পাশাপাশি এতে অনেকটা ফাইবারও থাকে, যার ফলে অনেকটা সময় পেট ভরা রাখে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। আর এতে ক্যালোরিও থাকে কম। ১০০ মিলি বিটের জুসে মাত্র ৩৫ ক্যালোরি থাকে।

দেখে নিন বিটের জুস তৈরি করার ৪টি উপায়:

১) গাজর ও বিটের জুস

সলিউবল ও ইনসলিউবল এই দুই ধরনের ফাইবার বা খাদ্য আঁশ থাকে গাজরে। এগুলো হজম হতে দেরি হয় ও বেশি সময় পেট ভরা রাখে। তাই বিটের জুসে গাজরে যোগ করতে পারেন।

প্রস্তুত প্রণালী:
২ কাপ বিট
২ কাপ গাজর
আধা কাপ পানি
৫ টেবিল চামচ লেবুর রস
প্রয়োজন মতো লবন
কয়েকটা পুদিনা পাতা
গাজর, বিট এবং পুদিনা পাতা একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। এতে পানি, লেবুর রস ও লবণ মিশিয়ে নিন।

২) আপেল ও বিটের জুস

আপেল মিষ্টি ফল হলেও তাতে ক্যালোরি খুবই কম থাকে। তাই স্বাদ বাড়াতে বিটের জুসের সাথে আপেল যোগ করতে পারেন।
প্রস্তুত প্রণালী:
২ কাপ বিট
১ কাপ আপেল
দারুচিনি গুঁড়ো এক চিমটি
লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো এক চিমটি
সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন।

৩) ডালিম ও বিটের জুস

ডালিমে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফলটিতে বি কমপ্লেক্স ভিটামিন থাকার কারণে এটি হজমে সাহায্য করে।ডালিমে অনেকটা ফাইবারও থাকে।এছাড়া ফলটি মেটাবলিজম বাড়ায় ও ফ্যাট বার্ন করতে কাজে আসে।

প্রস্তুত প্রণালী:
২ কাপ বিট
১ কাপ ডালিমের বীজ
৩ টেবিল চামচ লেবুর রস
বিটলবণ পরিমান মতো
বিট ও ডালিম ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এতে লেবুর রস ও বিটলবণ দিয়ে নেড়ে নিন।

৪) টমেটো ও বিটের জুস

আপেলের মতো টমেটোতেও ক্যালোরি অনেক কম থাকে। এতে পানির পরিমাণ তুলুনামূলক বেশি থাকে।

প্রস্তুত প্রণালী:
২ কাপ বিট
দেড় কাপ টমেটো ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস
পুদিনা পাতা কয়েকটি
লবণ পরিমান মতো
বিট, টমেটো ও পুদিনা পাতা একসাথে ব্লেন্ড করে লেবুর রস ও লবণ দিয়ে নেড়ে নিন।

নিয়মিত বিটের জুস খাওয়া খুবই স্বাস্থ্যকর। তবে আপনার মল ও মূত্রের রঙ একটু পাল্টে যেতে পারে, এতে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। যাদের বাতের সমস্যা ও কিডনির সমস্যা আছে তারা এই জুস পান করার আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন।

সূত্র: এনডিটিভি

Leave a Reply